| আইসি আমিনুলের বদলির দাবী এলাকাবাসীর |
|
|
|
| লিখেছেন Administrator |
| শনিবার, 28 জুলাই 2012 16:40 |
|
আইসি আমিনুলের বদলির দাবী এলাকাবাসীর
দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ির রমরমা মামলা বাণিজ্য!
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এসআই আমিনুল ইসলামের এতোই ক্ষমতাশালী যে তার বদলীর আদেশ জারির পরও তা স্থগিত হয়ে যায়। জানা যায়, এসআই আমিনুল ইসলামকে সিলেট মহানগর পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) গেলো বছরের ২৯ wW‡m¤^i শাহপরাণ থানায় বদলীর আদেশ দিয়ে ঐদিনই আবার বদলীর অঅদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে। পরবর্তীতে তিনি উপর মহলকে ২ লাখ টাকা বখরা দিয়ে স্থায়ীভাবে এ ফাঁড়িতে থেকে যান বলেন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি এসএমপি বরাবরে প্রেরিত এক অভিযোগ এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ডিসি (দক্ষিণ) এসব পুলিশ সদস্য কদমতলী বাস টার্মিনালের এম উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের বিপরীতে বসা জুয়ার আসর হতে প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা, বালুর মাঠের নকল সোনাকারীবারীদের নিকট হতে প্রতি মাসে ২৩ হাজার টাকা, ভার্থখলা কুমিল্লাপট্টি মানিকের জুয়ার আসর হতে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা, ফখরুলের ইয়াবা ষ্পষ্ট হইতে ২০ হাজার টাকা, হিরোইন ব্যবসায়ী ভুলু, ফরিদা, ফারুক, আব্দুল হকের নিকট হইতে ৫০ হাজার টাকা, রফিক এর পতিতা স্পট থেকে ৩০ হাজার টাকা, ভাঙ্গারী দোকান হতে ২৫ হাজার টাকা, পলিথিন ব্যবাসায়ীর কাছ ২০ হাজার টাকা, মদ ব্যবসায়ী ইকবালের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ঝালোপাড়ার ফেন্সি ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী কাইয়ুম ও মোস্তফার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা, ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করে থাকেন। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রত্যকে রাত্রে ১০টা থেকে ২টার ভিতরে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষকে সন্দেহজনকভাবে ধরে এনে পতিাতদের সাথে কোর্টে চালান ওবিভিন্ন মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হুমকি দিয়ে তাদেরক কাছ থেকে বড় অংকের টাকা আদায় করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত বুধবার রাতে বন্দরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে কীন ব্রীজের মুখে তাকে আটকিয়ে নিয়ে হাজতে ঢুকিয়ে দেয়। হাজতে আগে থেকে রাখা ২জন দেহ ব্যবসায়ীকে দেখিয়ে বলে তাদের সাথে চালান করে দিব তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে কাউকে টাকা নিয়ে আসতে বল। তিনি তার চাচাতো ভাইকে ফোন দিয়ে টাকা আনিয়ে হাজত থেকে ছাড়া পান। এভাবেই প্রতি রাতে দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ির টহলরত পুলিশরা মানুষকে ধরে এনে রমরমা বাণিজ্য করে।
এলাকাবাসী তাদের অভিযোগে উল্লেখ করেন, র্যাব কর্তৃক ধৃত ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী কাইয়ুমকে ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে এএসআই আমিনুল মামলার চার্জশীট থেকে বাদ দিয়ে দেন। এছাড়া জনৈক মোস্তফা আহমদকে ফেন্সিডিল সহ হাতে-নাতে গ্রেফতার করে কনস্টেবল রুবেলের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা আদায় করে তাকে মেট্রো আইনে চালান করেন।
জনৈক সাহেদ খন্দকারকে মিথ্যা অভিযোগে আটক করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ এসব পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন অজুহাতে নিরীহ ব্যক্তিদের আটক করেজোরপূর্বক টাকা পয়সা আদায় করে। এলাকাবাসী বলেন, এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর পক অভিযোগ থাকলেও কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তারা এ ব্যাপারে উপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। |
| LAST_UPDATED2 |










